সহজে ওজন কমানোর উপায় জেনে নিন

শরীরের বাড়তি ওজন প্রত্যেকেরই সমস্যা। আর বলতে গেলে এই বাড়তি ওজন শরীরের জন্য স্বাস্থ্যের একটি সমস্যা। শরীরের ওজন অনাকাঙ্ক্ষিত বৃদ্ধি থাকলে দেখতেও অনেকটা বেমানান দেখায়। তবে ছেলে অথবা মেয়ে যে কারোর শরীরের ওজন বৃদ্ধি হতে পারে। তবে ছেলে মেয়ে উভয়ই বিভিন্ন প্রক্রিয়া এবং পদ্ধতি অবলম্বন করে শরীরের বাড়তি ওজন থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

তবে শরীরকে সুস্থ এবং অতিরিক্ত ওজন কমাতে চাইলে অবশ্যই আপনাকে প্রতিদিন ব্যায়াম করতে হবে এবং খাবার-দাবারে ডায়েট করতে হবে। এছাড়া উল্লেখিত বিস্তারিত তথ্য আপনাদের জন্য আজকের আলোচনায় উল্লেখ করেছি। তাই যারা শরীরের বাড়তি ওজন নিয়ে অনেক বেশি দুশ্চিন্তায় ভুগছেন। তারা আমাদের এই পোস্ট থেকে বিভিন্ন প্রকার ওজন কমানোর উপায় সম্পর্কে জানতে পারবেন।

ওজন কমানোর উপায়

শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণের ডায়েট অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এই ডায়েট বলতে অনেকেই মনে করে থাকেন খাবার কম খাওয়া। এ ধারণাটি ভুল, ডায়েট হলো বিশেষ অবস্থায় ব্যক্তি বিশেষে নিয়ন্ত্রিত বা শারীরিক চাহিদা অনুযায়ী খাদ্য গ্রহণ। আর এই সুষম খাদ্য ওজন কমাতে অনেকটা সাহায্য করে। তবে ওজন কমানোর ক্ষেত্রে সব সময়ই চেষ্টা করা উচিত অতিরিক্ত পরিমাণ খাবার খাওয়া থেকে দূরে থাকা।

তবে শরীরের ওজন কমানো খুব একটা বেশি কঠিন কাজ নয়। আবার অনেকের কাছে অনেক বেশি কঠিন, অর্থাৎ খাদ্য নিয়ন্ত্রণ করাই হচ্ছে সব থেকে কঠিন। তবে সবথেকে সহজ উপায়ে আপনি আপনার শরীরের বাড়তি ওজন কমিয়ে নিতে পারেন। তবে চেষ্টা করুন শরীর থেকে বেশি ঘাম ঝরানোর অর্থাৎ বেশি এবং পরিমাণমতো ব্যায়াম করা। এছাড়াও ক্ষেত্র বিশেষে বিভিন্নভাবে ও শরীরের ওজন কমিয়ে আনা সম্ভব হয়। অতএব শরীরের ওজন দ্রুত কমাতে এই পোস্ট প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ুন।

মেয়েদের দ্রুত ওজন কমানোর উপায়

যেসব খাবার খেলে শরীরের ওজন বৃদ্ধি পায় সবার আগে সেসব খাবারগুলো পরিহার করতে হবে। যেমন চিনি খাওয়া থেকে বিরত থাকতে পারেন। এছাড়াও চেষ্টা করুন ভাত খাওয়া থেকে দূরে থাকতে। ভাত খাবেন তবে খুব কম পরিমাণ এবং ভাত খাওয়ার পরিবর্তে রুটি খেতে পারেন। তবে যে মেয়েদের শরীরের ওজন অনেক বেশি রয়েছে, তাদের ওজন দ্রুত কমাতে নিচের দেওয়া উপায় গুলো দেখে নিন। আশা করা যায় নিচের দেওয়া উল্লেখিত নিয়ম গুলো মানলে আপনার ওজন দ্রুত কমিয়ে নিতে পারবেন।

  • সঠিক খাদ্যপদার্থ নিন
  • আপনার খাবার সংখ্যা বৃদ্ধি করুন
  • পানি পর্যাপ্তভাবে পান করুন
  • ব্যায়াম করুন
  • খেলাধুলা করুন
  • সম্পূর্ণ খাবার খাওয়া উচিত
  • সম্পূর্ণ নিদ্রা নেওয়া উচিত
  • অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা পরিহার করুন

ছেলেদের দ্রুত ওজন কমানোর উপায়

শরীরের ওজন কমানোর ক্ষেত্রে ছেলে মেয়ের ভেদাভেদ বলতে কিছু নেই। তবে ওজন কমানোর ক্ষেত্রে মেয়েদের হালকা ব্যায়াম করা উচিত। এবং ছেলেদের একটু বেশি করে ঘাম ঝরানো উচিত। এবং খাওয়া-দাওয়ার ব্যাপারে একই নিষেধাজ্ঞা রুটিন। দ্রুত ওজন কমাতে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা পরিহার করুন। সাথে পুষ্টিকর খাবার সম্পূর্ণভাবে গ্রহণ করুন। পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমিয়ে নিন। যেসব খাবার খেলে শরীরের ওজন বৃদ্ধি পায় সেসব খাবার থেকে দূরে থাকুন। অর্থাৎ উচ্চ প্রোটিন যুক্ত খাবার গুলো অতিরিক্ত পরিমাণ গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকুন।

৭ দিনে ১০ কেজি ওজন কমানোর উপায়

খুব সম্ভবত এক মাসে চার থেকে পাঁচ কেজি পর্যন্ত ওজন কমানো সম্ভব হয়। তবে সবাই চাইলে এ অসাধ্য সাধন করতে পারবেনা। ওষুধ খেয়ে 7 দিনে এক মাসে ওজন অনেকটা কমিয়ে নেওয়া যায়। তবে আপনার শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতি হবে। এমনকি ওই ওষুধগুলো খাওয়ার পরে বিভিন্ন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া লক্ষণীয় হয়ে মৃ*ত্যু পর্যন্ত দেখা দিতে পারে।

তবে আপনি যদি সাত দিনের মধ্যে ১০ কেজি ওজন কমাতে চান তাহলে এক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রক্রিয়া আপনাকে অবলম্বন করতে হবে। জেনে রাখু*ন ৭ দিনে ১০ কেজি ওজন কমানোর উদ্দেশ্যে যে প্রক্রিয়া আপনি অবলম্বন করবেন। ৭ দিনে ১০ কেজি ওজন কমাতে না পারলেও প্রায় তিন থেকে পাঁচ কেজি অনায়াসে আপনি ওজন কমাতে পারবেন।

এজন্য আপনাকে সর্বপ্রথম ৭ দিনের জন্য একটি ব্যায়াম পরিকল্পনা তৈরি করুন। এবং ৭ দিনের একটি খাবার পরিকল্পনা তৈরি করুন।কিছু খাদ্যাভ্যাস ত্যাগ করুন। স্যাচুরেটেড ফ্যাটযুক্ত খাবার পরিহার করুন। চিনিযুক্ত খাবার এবং পানীয় খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।রাতে ভালো ঘুমের অভ্যাস করুন। আশা করা যায় আপনি সাত দিনের মধ্যে অনেক ভালো ফলাফল পেয়ে যাবেন।

লেবু দিয়ে ওজন কমানোর উপায়

লেবুতে রয়েছে পটাশিয়াম যা অতিরিক্ত স্বাস্থ্যবান ব্যক্তিদের ওজন কমিয়ে র*ক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। এবং শরীরকে হাইড্রেট রাখে। আপনি নিয়ম করে প্রতিদিন গরম পানি করে সাথে লেবুর রস যোগ করে খেতে পারেন। ওজন কমাতে এক চা চামচ জিরের গুঁড়ো, কয়েক টুকরো লেবু মিশিয়ে ভাল করে ফুটিয়ে ছেঁকে নিন। এছাড়া মাঝেমধ্যে লেবুর রসের সাথে কিছু পরিমাণ মধু যোগ করে নিতে পারেন।

কি ব্যায়াম করলে ওজন কমানো যায়

আপনার শরীরের ওজন কমানোর জন্য কয়েকটি ব্যায়াম খুবই কার্যকরী হতে পারে। এজন্য সময় বের করে প্রতিদিন সকালে এবং বিকেল বেলা কয়েকটি ব্যায়াম আপনি করতে পারেন। আশানুরূপ আপনার শরীর ওজন খুব দ্রুত দূর হয়ে যাবে। আর ব্যায়াম না করলে শরীরের ওজন কমিয়ে আনা অনেক বেশি কঠিন হয়ে পড়ে। তাই নিচের উল্লেখিত ব্যায়ামগুলো নিয়মিত করার চেষ্টা করুন।

  • প্রতিদিন হাঁটতে পারেন।
  • দড়ি লাফ খেলতে পারেন।
  • শক্তি প্রশিক্ষণ।
  • সাঁতার।
  • সাইক্লিং
  • জগিং
  • ইয়োগা

ইত্যাদি ব্যায়াম করতে পারেন আপনার শরীরের ওজন দ্রুত কমিয়ে আনার জন্য। তবে সবসময় চেষ্টা করবেন ব্যায়াম করে শরীর থেকে ঘাম ঝরানোর। তাহলেই আপনি আপনার শরীরের অতিরিক্ত স্বাস্থ্যকে দ্রুত কমিয়ে আনতে পারবেন। অতএব আর একটু নিচে প্রবেশ করে শরীরের ওজন কমানোর মূল প্রক্রিয়াগুলো দেখে নিন।

20 কেজি ওজন কমানোর উপায়

যদি স্বাস্থ্যসম্মত ওজন কমাতে চান তাহলে এক কথায় আপনাকে ডায়েট করতে হবে এবং ব্যায়াম করতে হবে। ব্যায়াম করার জন্য আপনি চাইলে জিমে ভর্তি হতে পারেন। তবে জিমে ভর্তি হলে অবশ্যই খাওয়া-দাওয়া ব্যাপারে বেশি সতর্ক থাকবেন। এ কথায় ডায়েট করবেন যে পর্যন্ত আপনার ওজন হ্রাস না পাচ্ছে। জেনে রাখু*ন খুব দ্রুত ওজন কমানোর ক্ষেত্রে ব্যায়াম সব থেকে কার্যকরী।

ওজন বাড়ানো যেমন কঠিন, ঠিক তার থেকেও কঠিন ওজন হ্রাস করা। থেকে যদি ২০ কেজি পর্যন্ত ওজন কমাতে চান তাহলে এক্ষেত্রে আপনাকে বিভিন্ন উপায় অবলম্বন করতে হবে। যেমন প্রতিদিন সকাল বিকাল ব্যায়াম করতে হবে। বাড়িতে করতে না পারলে জিমে গিয়ে ভর্তি হতে পারেন। গ্রিন টি খেতে পারেন এবং অতিরিক্ত খাবার পরিহার করতে পারেন। সর্বোপরি পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমাতে হবে।

ঘরে বসে ওজন কমানোর উপায়

আপনার ডাক্তারের কাছে না গিয়ে ঘরে বসে বিভিন্ন উপায়ে অবলম্বন করে আপনার ওজন কমিয়ে নিতে পারবেন। তাদেরকে যে আপনাকে বেশ কিছু নিয়মের মধ্য দিয়ে যেতে হবে। তবে সব সময় চেষ্টা করবেন বিভিন্ন প্রকার ওষুধ গ্রহণ করে ওজন কমিয়ে নেওয়ার। অতএব যারা ঘরে বসে ওজন কমানোর চাচ্ছেন তারা অবশ্যই নিচের পয়েন্ট গুলো দেখে নিন। এবং একটি রুটিন বানিয়ে নিন প্রতিদিন এ রুটিন গুলো মেনে চলার।

  • খাবার বাছাই
  • পানি পান করুন
  • ধীর ধীরে খান
  • অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা পরিহার করুন
  • পর্যাপ্ত বিশ্রাম
  • ব্যায়াম
  • রাতে তাড়াতাড়ি খাওয়ার চেষ্টা করুন
  • খাওয়ার আগে পানি খান
  • অতিরিক্ত খাবার পরিহার করুন
  • গ্রিন টি
  • রঙিন সালাদ
  • চিনি পরিহার

প্রাকৃতিকভাবে ওজন কমানোর ৫ টি উপায়

প্রত্যেক স্বাস্থ্যবান ব্যক্তির শরীরের বাড়তি ওজন মারাত্মক একটি সমস্যা এবং বির*ক্তিকর বটে। বিশেষ করে গরমের সময় তাদের অস্বস্তির কোন শেষ নেই। প্রত্যেক মোটা মানুষ তার স্বার্থ নিয়ে বেশ চিন্তিত এবং এই মোটা স্বাস্থ্য থেকে মুক্তি পেতে চায়। অনেকেই আছেন যারা শরীরের ওজন কমানোর জন্য বা এই অতিরিক্ত স্বাস্থ্য থেকে মুক্তি পেতে বিভিন্ন ধরনের ঔষধ গ্রহণ করে থাকেন। যা মোটেই ঠিক নয়, এতে করে শরীরের ওজন অনেকাংশে হ্রাস পেলেও শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতির হুমকি হতে পারে।

তবে অনেকেই বিভিন্নভাবে চেষ্টা করে থাকি ওজন কমানোর জন্য। এর জন্য অনেকেই আমরা খাওয়া-দাওয়ার পরিমাণ কমে দেই, মাসের পর মাস আমরা জিমে কাটিয়ে দেই। দেখা যায় অনেক অনিয়মের ফলে শরীরের অনেক ক্ষতি করে ফেলি। তবে প্রাকৃতিকভাবে ওজন কমানোর চেষ্টা করা উচিত। যেটা শরীরের জন্য অনেকটা সুস্বাস্থ্যের হয়ে থাকে। তবে নিচে আপনাদের জন্য প্রাকৃতিকভাবে ওজন কমানোর পাঁচটি উপায় সম্পর্কে জানিয়েছি। তাই নিচের দেওয়া উপায় গুলো দেখু*ন।

নিয়মিত ব্যায়াম শুরু করুনঃ

যদি অতিরিক্ত মোটা স্বাস্থ্যের থেকে মুক্তি পেতে চান এবং শরীরকে ফিট রাখতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে প্রতিদিন কঠোর পরিশ্রম করে ব্যায়াম করতে হবে। অর্থাৎ মোটা অতিরিক্ত স্বাস্থ্য থেকে চিকন হতে এই ব্যায়ামের বিকল্প কিছু নেই। বিভিন্ন খাওয়া দাওয়ার ডায়েট করার পাশাপাশি ব্যায়াম সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যদি প্রতিদিন নিয়মিত ব্যায়াম না করেন তাহলে আপনি কখনোই কোনোভাবেই মোটা স্বাস্থ্যকে চিকন করতে পারবেন না। সকালে এবং বিকালে পরিমাণ মতো পরিশ্রম করুন বা ব্যায়াম করুন।

ওজন কমানোর জন্য চায়ে চুমুক দিনঃ

ওজন কমানোর জন্য অনেকে বিভিন্ন ধরনের চা খেয়ে থাকেন। অসম্ভব মনে হল এটা অনেকটা উপকারী, আপনি প্রতিদিন চা খেতে পারেন। তবে যে কোন চা খেলে হবে না। তাই ওজন কমানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের চা বাজারে পাওয়া যায়। এর মধ্যে আপনি Mylo চা খেতে পারেন যা প্রাকৃতিকভাবে আপনার স্বাস্থ্য অনেকটা হ্রাস করতে সহায়তা করবে।

বাংলাদেশের বিভিন্ন দোকানে আপনি গ্রিন টি পেয়ে যাবেন। যার প্রতিদিন ২ থেকে ৩ কাপ করে খেতে পারেন। এটি অনেকটা প্রমাণিত স্বাস্থ্য কমিয়ে আনতে। বিশেষ করে যেসব মেয়েদের একটু বাড়তি ওজন রয়েছে বা ভুড়ি রয়েছে তাদের অবশ্যই ব্যায়াম করা অনেকটা পরিশ্রমের হয়ে যায়। তাই মেয়েদের ক্ষেত্রে গ্রিন টি অনেকটা উপকারী স্বাস্থ্য কমাতে।

খাদ্য পরিবর্তন করুনঃ

দ্রুত স্বাস্থ্য বা ওজন কমানোর সবথেকে প্রধান এবং মৌলিক মন্ত্র হচ্ছে কম ক্যালরিতে খাবার খাওয়া। এবং উচ্চ প্রোটিন যুক্তখাবার খাওয়া থেকে দূরে থাকা। চেষ্টা করবেন বেশি বেশি শাকসবজি খাওয়ার জন্য। এবং শাকসবজি বিভিন্নভাবে বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় আপনি খেতে পারেন। তবে স্বাস্থ্য কমাতে এসব সবজি বা বিভিন্ন তরকারি গুলোতে কম তেল যুক্ত করা। অর্থাৎ প্রতিদিনের খাবার তালিকা তেলের ব্যবহারের পরিমাণ কমিয়ে দিন। সাথে লেবু রাখতে পারেন প্রতিদিনের খাবার তালিকায়।

আপনার জীবন থেকে স্ট্রেস দূর করুনঃ

র*ক্তে কর্টিসলের মাত্রা বৃদ্ধি আপনাকে ক্ষুধার্ত বোধ করাতে পারে এবং উচ্চ-শর্করা, উচ্চ-ক্যালোরি, উচ্চ চর্বিযুক্ত খাবারের জন্য আপনার আকাঙ্ক্ষা বাড়িয়ে তুলতে পারে। এছাড়া বিভিন্ন কারণে জীবনের নানাবিধ সমস্যা দেখা দিতে পারে। চেষ্টা করুন জীবন থেকে স্ট্রেস দূর করতে।

পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমানঃ

আপনি যদি পর্যাপ্ত ঘুম না ঘুমান তবে আপনি ঘেরলিন এবং লেপটিন রাসায়নিক কম তৈরি করতে পারেন, যা ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করে। এজন্য শরীরের ওজন কমাতে আরো কঠিন হয়ে পড়ে। তাই শরীরের যদি ওজন দ্রুত কমাতে চান তাহলে আপনাকে রাতে পরিমাণমতো ঘুমাতে হবে। অর্থাৎ 7 থেকে 8 ঘন্টা আপনাকে ঘুমাতে হবে। তাই শরীরকে পূর্ণ বিশ্রামে রাখু*ন। আর পরিমিত পরিমাণ ব্যায়াম করুন।

ওজন কমানোর ওষুধের নাম কি

ওজন কমানোর বিভিন্ন ঔষধ আপনি বাজারে পেয়ে যাবেন। এক্ষেত্রে আপনি এলোপতি ওষুধগুলো খেতে পারেন। নতুবা আপনি হোমিওপ্যাথি ওষুধ গুলো খেতে পারেন। তবে যে ওষুধ আপনি গ্রহণ করুন না কেন, অবশ্যই একজন রেজিস্টার ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করে এ সকল ওষুধ গ্রহণ করবেন। তবে নিচে ওজন কমানোর ওষুধের বিভিন্ন নাম উল্লেখ করেছেন। আশা করা যায় নিচে ও ওষুধের নাম গুলো আপনার অনেক উপকারে আসবে।

  • জিরোফ্যাট ১২০ এম জি ক্যাপসুল
  • ওরলিস্ট্যাট
  • কিউসিমিয়া
  • কনট্রেভ
  • ভিকটোজা
  • ওজেমপিক

এই ওষুধগুলো ছাড়াও আরো বিভিন্ন ওষুধ বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় পাওয়া যায়। তবে চেষ্টা করবেন ওষুধ না খেয়ে শরীরের ওজন কমানোর। বিভিন্ন ধরনের ওষুধ খেয়ে যদি শরীরের ওজন কমানোর চেষ্টা করে থাকেন তাহলে আপনার লিভারের অনেকটা ক্ষতি হতে পারে। নতুবা শরীরে নতুন কোন রোগের সূচনা তৈরি হতে পারে। তাই ওষুধ খাওয়ার মাধ্যমে শরীরের ওজন কমানো থেকে বিরত থাকুন।

শেষ কথা

আশা করতেছি আপনারা ইতিমধ্যে আমাদের এই পোস্ট থেকে ওজন কমানোর উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরেছেন। সম্পূর্ণ সহজ এবং সঠিক উপায় গুলো আপনাদের জন্য আজকের এই পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রাকৃতিক উপায় সহ বিভিন্ন ওষুধের নাম এখানে উল্লেখ করা হয়েছে। যে ওষুধ বা প্রাকৃতিক উপায় গুলো অবলম্বন করে খুব সহজে আপনার অনাকাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্যকে দ্রুত কমিয়ে আনতে পারবেন। যদি এই পোস্ট থেকে উপকৃত হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনার আশেপাশের ব্যক্তিদেরকে শেয়ার করে জানিয়ে দিবেন। ধন্যবাদ