দুবাই যেতে কি কি লাগে ও খরচ কত

বাংলাদেশ থেকে বহু নাগরিক রয়েছেন যারা দুবাই পৌঁছাতে চান। আর এই দুবাই হচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী এবং বৃহত্তম শহর। এ দুবাইয়ে প্রচুর সংখ্যক কাজের চাহিদা রয়েছে। তাই আপনি বাংলাদেশ থেকে সেখানে গিয়ে প্রতিমাসে অনেক টাকা পর্যন্ত ইনকাম করতে পারবেন। আপনি যেহেতু দুবাই যেতে চাচ্ছেন এক্ষেত্রে বহু তথ্য আপনাকে জেনে রাখতে হবে।

সবার আগে বিদেশ ভ্রমণকারী ব্যক্তিকে অবশ্যই তার খরচের বিষয়টি লক্ষ্য করতে হয়। এখন এক্ষেত্রে দুবাই যেতে কি কি লাগে ও খরচ কত একজন তা দুবাই যেতে ইচ্ছুক ভাইদের জন্য রাখা উচিত। তবে বেশ কিছু কাগজপত্রের প্রয়োজন হয় এই দুবাই যেতে। এবং পূর্ব থেকে বর্তমানে অনেক বেশি টাকা খরচ করতে হয় এই দুবাই যাওয়ার জন্য। তাই আজকের এই পোস্ট থেকে বিস্তারিত তথ্য জেনে নিন।

দুবাই যেতে কি কি লাগে ও খরচ কত

আপনাদেরকে সংক্ষিপ্ত ধারণা থেকে পুরো বিস্তারিত ধারণা এই পোস্টটির মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। আপনার যদি বিন্দুমাত্র দুবাই যাওয়ার ইচ্ছে থাকে। তাহলে এই পোস্ট সম্পূর্ণ পড়ুন। তবে দুবাই যেতে একজন ব্যক্তির সাধারণ ক্ষেত্রে তার বৈধ পাসপোর্ট লাগবে এবং পাসপোর্ট অনুযায়ী তার ভিসা তৈরি করতে হবে। তবে ভিসা তরী ক্ষেত্রে বিভিন্ন কাগজপত্র লাগে। যেমন জাতীয় পরিচয় পত্র লাগে, যদি জাতীয় পরিচয় পত্র না থাকে তাহলে জন্ম নিবন্ধন সনদ।

এবং সর্বনিম্ন ৬ মাসের একটি বৈধ পাসপোর্ট থাকতে হবে। এবং দুবাই যাওয়ার পূর্বে অবশ্যই আপনার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট থাকতে হবে। সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ আপনার সর্বনিম্ন ২ লাখ টাকা থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত বাজেট রাখতে হবে। তবে দুবাই যেতে কত টাকা খরচ হবে সেটা সম্পূর্ণ নির্ভর করছে আপনার ভিসার তৈরির উপর। অতএব দুবাইয়ের ভিসা সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য জানতে বিস্তারিত পড়ুন।

দুবাই যেতে কি কি লাগে

নিচের দেওয়া তালিকা গুলো থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো জেনে রাখু*ন। আশা করা যায় এই তথ্য আপনার পরবর্তীতে দুবাই যাওয়ার উদ্দেশ্যে অনেকটা উপকারে আসবে। তবে আপনি যদি কোন দালালদের মাধ্যমে দুবাই যেতে চান। তাহলে কি কি কাগজপত্রের প্রয়োজন হবে তা বিস্তারিত তাদের কাছ থেকে জানতে পারবেন। তবে এখান থেকে কিছু ধারণা সংক্ষেপে জেনে রাখু*ন। যেমনঃ

  • আপনার বৈধ সর্বনিম্ন ছয় মাসের পাসপোর্ট থাকতে হবে।
  • আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র অথবা জন্ম নিবন্ধন সনদ লাগবে।
  • যদি ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকে তার কাগজপত্র লাগবে।
  • পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট লাগবে।
  • আপনি যদি পূর্বে দুবাই গিয়ে থাকেন তাহলে তার প্রমাণস্বরূপ একটি ভিসা কপি লাগবে।
  • ল্যাব থেকে প্রিন্ট করা সদ্য তোলা রঙ্গিন ছবি।
  • দুবাই ভিজিট করার জন্য আবেদন ফর্ম।

তবে এই সকল কাগজপত্র ছাড়াও আরো প্রয়োজনীয় কাগজপত্র লাগতে পারে আপনার ভিসার ক্যাটাগরির উপরে। তবে কাগজপত্র নিয়ে তার কিছু নেই,আপনি যখন কোন এজেন্সি বা দালাল দ্বারা ভিসা তৈরি করতে যাবেন। ঠিক তখন আপনাকে এসব প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের কথা জানিয়ে দেওয়া হবে।

বাংলাদেশ থেকে দুবাই যেতে কত টাকা লাগে

বাংলাদেশ থেকে দুবাই যেতে কত টাকা লাগবে তা নির্দিষ্ট করে বলা অসম্ভব। বাংলাদেশ থেকে দুবাই যাওয়ার জন্য বিভিন্ন ধরনের ভিসা পাওয়া যায়। কাজের ভিসা সহ স্টুডেন্ট ভিসা এবং বিভিন্ন কোম্পানির ভিসা পাওয়া যায়। তবে প্রত্যেকটি ভিসার আলাদা আলাদা বাজেট এবং খরচ হয়ে থাকে।

তবে আপনাদেরকে সহজ একটি ধারণা দেওয়ার জন্য এখানে কত টাকা উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ দুবাই যেতে ২ থেকে ৩ লক্ষ টাকা লাগবে। এবং সর্বোচ্চ দুবাই যেতে ৮ থেকে ১০ লক্ষ টাকার প্রয়োজন হবে। বিস্তারিত জানতে আরও একটি নিচে প্রবেশ করুন।

দুবাইয়ের ভিসা খরচ কত

যেহেতু দুবাই বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে বা অন্যান্য দেশের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন ধরনের ভিসার নিয়োগ দিয়ে থাকেন। এক্ষেত্রে প্রতিবছর এই ভিসার মূল্য পরিবর্তন হয়ে থাকে। অর্থাৎ পূর্ব থেকে বর্তমানে ভিসার খরচ অনেক বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে কোন ভিসার জন্য কত টাকা খরচ হয় তা নিচে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়েছে। তাই নিচে প্রবেশ করুন।

দুবাই যেতে ভিসা তৈরীর ক্ষেত্রে কি কি লাগে

একটি দেশ থেকে অন্য দেশে ভ্রমণ করতে বেশ কিছু প্রয়োজনীয় এবং গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রের প্রয়োজন হয়। এক্ষেত্র লিখিত আপনি পাসপোর্ট থাকতে হবে, এবং পাসপোর্ট নাম্বার দিয়ে ভিসা তৈরি করতে হবে। এবং ভিসা তৈরি করে আপনি আন্তর্জাতিক রুটে চলাচল করতে পারবেন। তবে কোথাও ভ্রমণের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন যে কাগজপত্র সমূহ লাগে তা নিয়ে চলে করা হলো।

  • আপনার ১ কপি ল্যাব প্রিন্ট রঙ্গিন ছবি।
  • ১৮ বছরের কম বয়সী সন্তান।
  • ভিসার ক্যাটাগরি অনুযায়ী পুলিশ ক্লিয়ারেন্স  সার্টিফিকেট
  • সর্বনিম্ন তিন মাস মেহেদী পাসপোর্ট এবং পাসপোর্ট এর স্ক্যান কপি থাকতে হবে।
  • যে বিমানে করে যেতে যাচ্ছেন তার টিকিটের কপি থাকতে হবে।
  • এবং কোন কাজের উদ্দেশ্যে যেতে চাচ্ছেন সেই কোম্পানি এবং কাজের ডকুমেন্ট থাকতে হবে।
  • এছাড়া উল্লেখিত আরো প্রয়োজনীয় কাগজপত্র লাগে দুবাই যেতে। 

দুবাই ফ্রি ভিসা

যারা আন্তর্জাতিক ভ্রমণ করতে চান এবং প্রবাস জীবন কাটাতে চান তাদের প্রত্যেকেই ফ্রি ভিসা অনুসরণ করে থাকেন। তবে ফ্রি ভিসা পাওয়াটা অনেক কষ্টের হয়ে দাঁড়ায়। তবে যে কেউ চাইলে এই ফ্রি ভিসা পেতে পারেন না। দুবাই ফ্রি ভিসা হচ্ছে আপনি ওই দেশে গিয়ে আপনার ইচ্ছে মত যে কোন কাজ করতে পারবেন। তবে দুবাই ফ্রি ভিসার জন্য সর্বনিম্ন আপনাকে ৮ থেকে ১০ লক্ষ টাকা বাজেট রাখতে হবে। তাহলে আপনি বাংলাদেশ থেকে দুবাই ফ্রি ভিসা পেয়ে যাবেন।

দুবাই কোম্পানি ভিসা ২০২৩

বাংলাদেশে প্রচুর পরিমাণ সব কোম্পানির ভিসার নিয়োগ দেওয়া হয়। তবে এক্ষেত্রে সরকারের থেকে বিভিন্ন দালালগন বাংলাদেশ থেকে বহু মানুষ দুবাইয়ে পাঠিয়ে থাকেন। তবে দালালরা প্রায় সবসময়ই একজন সাধারন মানুষের কাছ থেকে কয়েক লাখ টাকা পর্যন্ত বেশি রেখে থাকে। তবে আপনি যদি কোন কোম্পানির ভিসা পেতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে ৭ থেকে ৮ লক্ষ টাকা খরচ করতে হবে।

তাহলে আপনি পরবর্তীতে ভালো একটি কোম্পানির ভিসা পেয়ে যাবেন। তবে অবশ্যই এ সকল কোম্পানির ভিসা পেতে বেশ কিছু নিয়মের ভেতর দিয়ে যেতে হয়। আপনি যদি পূর্ণাঙ্গ তথ্য সফলভাবে সাবমিট করতে পারেন তাহলেই আপনি দুবাই কোম্পানি ভিসা পেয়ে যাবেন।

দুবাই কাজের ভিসার খরচ কত

এই সকল দেশগুলোতে এই ভিসা নিয়ে পৌঁছানোটা একটু কষ্ট এবং কঠিন হয়ে যায়। সব সময় ভিসা পাওয়া যায় না, এ সকল দেশের ভিসা পাওয়ার জন্য অনেকটা সময় ধৈর্য নিয়ে অপেক্ষা করতে হয়। এবং ভাগ্যক্রমের ভিসা তৈরি হয়ে যায়। তবে দুবাই যদি কাজের জন্য ভিসা তৈরি করতে চান, তাহলে এক্ষেত্রে আপনাকে কমপক্ষে ৬ থেকে ৭ লক্ষ টাকা খরচ করতে হবে।

দুবাই ভিজিট ভিসা খরচ কত

জেনে রাখু*ন পূর্ব থেকে বর্তমানে যেকোন ভিসার খরচ অনেক বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে কোন এজেন্সি এবং দালালদের দ্বারা যদি দুবাই পৌঁছাতে চান তাহলে এক্ষেত্রে ভিসা খরচ অনেকটা বৃদ্ধি পাবে। আর যদি কোন সরকারিভাবে আপনি ভিসা তৈরি করে থাকেন তাহলে এক্ষেত্রে আপনার অনেকাংশে ভিসার খরচ হ্রাস পাবে। তবে জেনে রাখু*ন বাংলাদেশ থেকে ভিজিট ভিসা যেতে হলে সর্বোচ্চ ৩ থেকে ৪ লক্ষ টাকা খরচ হবে। আর যদি সরকারিভাবে ভিজিট ভিসা তৈরি করতে চান তাহলে ১ থেকে ২ লক্ষ টাকা খরচ হবে।

দুবাই টুরিস্ট ভিসার দাম কত

আপনি দুবাই টুরিস্ট ভিসার আবেদন দুইভাবে করতে পারবেন। প্রথমত বাংলাদেশে অবস্থিত কোন এয়ারলাইন্স এর মাধ্যমে। দ্বিতীয়ত বাংলাদেশে অবস্থিত কোন ট্রাভেল এজেন্টের মাধ্যমে। তো এক্ষেত্রে এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে যদি টুরিস্ট ভিসা সংগ্রহ করতে চান তাহলে বিভিন্ন এয়ারলাইন্স আপনি বাংলাদেশ থেকে পেয়ে যাবেন। তবে ক্ষেত্রে যদি কেউ দুবাই টুরিস্ট ভিসা যেতে চান তাহলে তার সর্বনিম্ন ৪ থেকে ৬ লক্ষ টাকা খরচ করতে হবে।

দুবাই টুরিস্ট ভিসা যেতে কত টাকা লাগে

এক্ষেত্রে একটি বিষাদ তৈরি করতে ৪ থেকে ৬ লক্ষ টাকা লাগে। আর আপনার যাবতীয় খরচ দুবাই থেকে ঘুরে ফেরত আসার জন্য এর থেকে বেশি টাকা লাগতে পারে। তুমি কোন এজেন্টের মাধ্যমে আপনি দুবাই ভ্রমন করতে যাচ্ছেন তার উপরও এই ভিসার টাকা নির্ভর করছে। তবে টুরিস্ট ভিসার সংগ্রহ করতে হলে অবশ্যই কোন এজেন্সির সহায়তা আপনাকে গ্রহণ করতে হবে।

দুবাই টুরিস্ট ভিসার মেয়াদ শেষ হলে জরিমানা কত?

ধরুন আপনি ছয় মাসের জন্য দুবাই ভ্রমণ করতে গিয়েছেন বা কাজের জন্য গিয়েছেন। কিন্তু ছয় মাসের বেশি সময় ধরে কোন ভাবে আপনি দুবাই অবস্থান করেছেন। তাহলে এক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই জরিমানা গুনতে হবে। এক্ষেত্রে একটু টুরিস্ট ভিসার নির্দিষ্ট সময়ের থেকে বেশি সময় সেখানে অবস্থান করলে আপনাকে ৩০০ দিরহাম পর্যন্ত জরিমানা গুনতে হতে পারে।

দুবাই হোটেল ভিসা খরচ কত

বাংলাদেশের অনেক নাগরিক রয়েছেন যারা দুবাইয়ের রেস্টুরেন্টের ভিসা পাওয়ার জন্য লাখ লাখ টাকা খরচ করছেন। আর সংযুক্ত আরব আমিরাতের সকল দেশগুলোতে প্রবাস জীবন কাটানোর জন্য অবশ্যই অনেকেই এ সকল রেস্টুরেন্ট এবং গরম থেকে বাঁচার জন্য কাজ অনুসন্ধান করে থাকেন। তবে এর মধ্যে অন্যতম সুন্দর একটি কাজ হচ্ছে হোটেল ভিসা।

তবে জেনে রাখু*ন আপনি যদি হোটেল বা রেস্টুরেন্ট ভিসার জন্য আবেদন করতে চান বা ভিসা তৈরি করতে চান। তাহলে এবং আপনার ৫ থেকে ৭ লক্ষ টাকা খরচ হবে। এ হোটেল ভিসা এবং রেস্টুরেন্ট ভিসা যেহেতু বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কোন কোম্পানি দ্বারা দালালদের শরণাপন্ন হয়ে ভিসা তৈরি করতে হয়। সেক্ষেত্রে এই বিষয় খরচ অনেক বেশি হয়ে যায়।

দুবাই স্টুডেন্ট ভিসা খরচ

সংযুক্ত আরব আমিরাতে উচ্চ শিক্ষার জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান রয়েছে। বাংলাদেশ থেকে বহু ছাত্র-ছাত্রীর দুবাই গিয়ে পড়াশোনা করতে চান। এক্ষেত্রে সরকার নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী স্টুডেন্ট ভিসা নিয়োগ দিয়ে থাকেন। তবে অবশ্যই আপনাকে অনুসন্ধান করে এই ভিসা গুলো খুঁজে বের করতে হবে। বাংলাদেশে এই স্টুডেন্ট ভিসার প্রচুর চাহিদা রয়েছে।

এক্ষেত্রে বাংলাদেশ থেকে যদি স্কলারশিপ নিয়ে দুবাই স্টুডেন্ট ভিসা পেয়ে থাকেন তাহলে আপনার ভিসা খরচ অনেক কম হয়ে যাবে। অর্থাৎ ১ থেকে ২ লক্ষ টাকা হলেই আপনি দুবাই ভিসা খরচ সম্পন্ন করতে পারবেন। এছাড়া কিছু ক্ষেত্রে ৪ থেকে ৫ লক্ষ টাকা হলেই দুবাই স্টুডেন্ট ভিসা যাওয়া যায়।

দুবাই কোন কাজে চাহিদা বেশি

আপনি দুবাইতে বিভিন্ন কাজের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ থেকে যেতে পারবেন। তবে ছোটখাটো ভিসা কে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ থেকে প্রচুর দুবাইয়ের ভিসা পেয়ে যাবেন। অর্থাৎ দুবাইয়ে ছোটখাটো শ্রমিকদের কে বেশি পাতলা দেয়া হয়ে থাকে। তবে আপনি দুবাইতে গিয়ে সব থেকে যে কাজটি বেশি করতে পারবেন তা হচ্ছে ড্রাইভিং, ওয়েল্ডিং, প্লাম্বিং, কনস্ট্রাকশন, হোটেল বয়, ক্লিনার, ইলেকট্রিশিয়ান ইত্যাদি।

তবে অবশ্যই এই কাজগুলো সম্পর্কে আপনাকে অভিজ্ঞ থাকতে হবে। আপনি যদি দক্ষতার সাথে উপরোক্ত কাজগুলো করতে পারেন তাহলে খুব সহজে প্রতি মাসে অনেক টাকা পর্যন্ত ইনকাম করতে পারবেন। অর্থাৎ যে যত ভালো কাজ করতে পারবে তার বেতন তত বেশি হবে। তবে কিছু কিছু কোম্পানির কাজের বেতন নির্ধারিত।

বাংলাদেশ থেকে দুবাই বিমান ভাড়া কত

বাংলাদেশ থেকে দুবাইয়ের বিভিন্ন ক্যাটাগরির বিমান প্রতিনিয়ত চলাচল করে থাকে। এক্ষেত্রে আপনি কোন ধরনের বিমান ব্যবহার করে দুবাই যেতে চাচ্ছেন তার উপর সম্পূর্ণ বিমান ভাড়া নির্ভর করে। তবে তবে সাধারণ ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন বিমান ভাড়া কত হবে এবং সর্বোচ্চ বিমান ভাড়া কত হতে পারে দুবাইয়ে যাওয়ার জন্য। তা এখানে সংক্ষেপে আপনাদেরকে জানানোর উদ্দেশ্যে উল্লেখ করেছি।

অর্থাৎ আপনি যদি বাংলাদেশ বিমান এয়ারলাইন্স ব্যবহার করে ঢাকা শাহজালাল এয়ারপোর্ট থেকে দুবাই যেতে চান সর্বনিম্ন বিমান ভাড়া হবে ৫০ হাজার থেকে ৬৫ হাজার টাকা। এবং এই বাংলাদেশ বিমান এয়ারলাইন্স এর সর্বোচ্চ টিকেট মূল্য হবে প্রায় লাখ টাকার উপরে। যেহেতু আপনি ভিসা তৈরি করতে চাচ্ছেন তার সাথে অবশ্যই বিমান ভাড়া যোগ করতে হবে।

শেষ কথা

আশা করতেছি এই পোস্ট থেকেই দুবাই যাওয়ার জন্য সকল প্রক্রিয়া এবং খরচ সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। দুবাই যেতে কি কি লাগে ও খরচ কত তা সম্পূর্ণ এ পোস্ট দ্বারা বিস্তারিত উল্লেখ করা করা হয়েছে। তাই বর্তমানে যারা দুবাই যাওয়ার জন্য চিন্তা ভাবনা করছেন। আশা করতেছি সকল প্রশ্নের উত্তর এখান থেকে পেয়ে গিয়েছেন। যদি এ পোস্ট উপকৃত মনে হয় তাহলে অবশ্যই অন্যদের মাঝে শেয়ার করে জানিয়ে দিন। ধন্যবাদ